সিংগা কৈলাস চন্দ্র চক মোহন উচ্চ বিদ্যালয়

প্রতিষ্ঠার বছর: ১৯৪৩ ইং

EIIN নম্বর: 

 

আমাদের বিদ্যালয় সম্পর্কে:

১৯৪৩ সালে স্বর্গীয় কৈলাস চন্দ্র ও চক মোহন সরকারের উদ্যোগে এবং গ্রামবাসীর সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয় 'সিংগা কে. সি. সি. এম. উচ্চ বিদ্যালয়'। শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সুশিক্ষিত ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। সেদিনের সেই মহৎ উদ্যোগ আজ শতভাগ সফল; এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, যা গ্রামবাসীর সম্মিলিত স্বপ্ন ও সফলতার এক গৌরবময় ইতিহাস।

639596449 4340653222815488 118744040817281872 n
493895889 4034653670082113 8284281028088792535 n

দুলালী বিশ্বাস

প্রধান শিক্ষকের বাণী "শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড" - এই চিরন্তন সত্যকে বুকে ধারণ করে ১৯৪৩ সালে অজপাড়াগাঁ সিংগা গ্রামে স্বর্গীয় কৈলাস চন্দ্র সরকার এবং স্বর্গীয় চক মোহন সরকার যে শিক্ষার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেছিলেন, আজ তা এক বিশাল আলোকবর্তিকায় পরিণত হয়েছে। সিংগা কৈলাস চন্দ্র চক মোহন উচ্চ বিদ্যালয় (সিংগা কে. সি. সি. এম. উচ্চ বিদ্যালয়) অত্র অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে এক ঐতিহাসিক এবং গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি দুলালী বিশ্বাস, এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে যোগদান করি। যোগদানের পর থেকেই এই পবিত্র দায়িত্ব পালনে আমি এবং আমার সম্মানিত সহকর্মীবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য কেবল শিক্ষার্থীদের পুঁথিগত বিদ্যা প্রদান নয়, বরং তাদের নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন, আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার সার্বিক গুণগত মান বৃদ্ধির ওপর আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছি। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। আমাদের এই পথচলায় বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ, নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দ, সচেতন অভিভাবক মহল এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের পাথেয়। অতীতে এই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে যারা আজ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কর্মরত আছেন, তারা আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আদর্শ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে। বিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং আমার প্রিয় শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, দুলালী বিশ্বাস প্রধান শিক্ষক, সিংগা কৈলাস চন্দ্র চক মোহন (কে. সি. সি. এম.) উচ্চ বিদ্যালয়। এটি আপনি সরাসরি বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, ব্রোশিওর বা যেকোনো প্রকাশনায় ব্যবহার করতে পারবেন। ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজন হলে এর সাথে আপনার একটি প্রফেশনাল ছবি যুক্ত করে নিতে পারেন।

ফটো গ্যালারি

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও লক্ষ্য/উদ্দেশ্য:

সিংগা কৈলাস চন্দ্র চক মোহন উচ্চ বিদ্যালয়: শিক্ষার এক ঐতিহাসিক বাতিঘর প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ও সূচনা ১৯৪৩ সাল। অজপাড়াগাঁ সিংগা গ্রামে তখন শিক্ষার সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত। সমাজের এই অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেন গ্রামের দুই দূরদর্শী ব্যক্তি—স্বর্গীয় কৈলাস চন্দ্র সরকার এবং স্বর্গীয় চক মোহন সরকার। তবে এটি কেবল তাদের একক প্রচেষ্টা ছিল না; সমগ্র গ্রামবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় 'সিংগা কৈলাস চন্দ্র চক মোহন উচ্চ বিদ্যালয়' (সংক্ষেপে সিংগা কে. সি. সি. এম. উচ্চ বিদ্যালয়)। রূপকল্প ও উদ্দেশ্য এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রতিষ্ঠাতাদের মূল লক্ষ্য কেবল পুঁথিগত বিদ্যা প্রদান ছিল না। তাদের একটি সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন ছিল—এলাকার পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষকে সুশিক্ষিত করে তোলা এবং নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন 'আদর্শ মানুষ' হিসেবে সমাজে গড়ে তোলা। একটি প্রত্যন্ত গ্রামকে শিক্ষার মাধ্যমে আলোকিত করার এটি ছিল এক নিঃস্বার্থ ও মহৎ উদ্যোগ। সাফল্য ও বর্তমান উত্তরাধিকার ১৯৪৩ সালে রোপণ করা সেই শিক্ষার বীজ আজ এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। বিদ্যালয়টির চূড়ান্ত সার্থকতা নিহিত রয়েছে এর শিক্ষার্থীদের অভাবনীয় অর্জনের মধ্যে। এই প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে সিংগা গ্রামের বহু মানুষ আজ উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। গ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে দেশ ও বিদেশের বড় বড় এবং স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে তারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কর্মরত আছেন, যা প্রতিষ্ঠাতাদের সেই আদি স্বপ্নেরই সফল বাস্তবায়ন। সারসংক্ষেপ সিংগা কে. সি. সি. এম. উচ্চ বিদ্যালয় কেবল একটি ইটের তৈরি ইমারত নয়; এটি একটি গ্রামের মানুষের সম্মিলিত স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সফলতার এক জীবন্ত ইতিহাস। স্বর্গীয় কৈলাস চন্দ্র এবং চক মোহন সরকারের সেই ঐতিহাসিক উদ্যোগ আজও সিংগা গ্রামের প্রজন্মের পর প্রজন্মকে পথ দেখিয়ে চলেছে। আপনি কি এই ইতিহাসটি স্কুলের কোনো ম্যাগাজিন, ওয়েবসাইট বা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করতে চান? প্রয়োজনে এটিকে আরও বড় করে বা ভিন্ন কোনো ফরম্যাটে সাজিয়ে দেওয়া যাবে।

ম্যাপ

Scroll to Top